সবকিছুর দাম বেড়ে চলেছে লাগামহীনভাবে!কেউ কি আছে টেনে ধরার মত?

গত সপ্তাহের চাইতে এই সপ্তাহে চালের দাম বেড়েছে কেজি প্রতি ৫ টাকা।ধানের অস্বাভাবিক দাম বেড়ে যাওয়াকে কারন হিসাবে বলছেন ব্যাবসায়িরা।এদিকে শুধু চালের বাজার নয় বাজারে প্রায় সব জিনিসেরই দাম বেড়েছে গত সপ্তাহের চাইতে এই সপ্তাহে।দাম নিয়ন্ত্রনের রাখতে সব ধরনের পণ্য আমদানি করার পরামর্শ দিচ্ছেন ব্যাবসায়িরা।

একাধিক ব্যাবসায়িরা জানিয়েছেন এখন আমন ধানের মৌসুম চলছে।কিন্তু মিল মালিক রা ধান পাচ্ছেন না বলে চালের পাইকারদের চাল সরবরাহ করছেন না।আর এই সরবরাহ কম থাকার কারনেই চালের দাম বেড়েছে।এই সমস্যা সমাধানের জন্য এখনই সরকারের মিল মালিকদের সাথে বৈঠক করা।তানাহলে চালের যেভাবে দাম বাড়ছে এটা লাগামহীন হয়ে যাবে।সরকারের প্রয়োজনের বেসরকারি ভাবে চাল আমদানি করার অনুমতি দিতে হবে।

ঢাকার বিভিন্নি খুচরা চালের বাজারে মিনিকেট চাল এই মুহূর্তে বিক্রি হচ্ছে ৬২ টাকা থেকে ৬৬ টাকা।এটা আগের সপ্তাহে ছিল ৫৮ টাকা থেকে শুরু করে ৬২ টাকা।আর এরও দুই সপ্তাহ আগে এই মিনিকেট চালের বাজার ছিল প্রতি কেজি ৫৪ টাকা থেকে শুরু করে ৬০ টাকার মধ্যে।বাজারে যেসব মাঝারি ধরনের চিকন চাল পাওয়া যায় তা বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে ৫৪ টাকা থেকে শুরু করে ৫৮ টাকা।যা আগের সপ্তাহে ছিল ৫০ টাকা থেকে শুরু করে ৫২ টাকা।আর এরও দুই সপ্তাহ আগে এই মাঝারি ধরনের চিকন চালের বাজার ছিল প্রতি কেজি ৪৮ টাকা থেকে শুরু করে ৫০ টাকার মধ্যে।আর মোটা চাউল বিক্রি হচ্ছে বর্তমানে ৪৬ টাকা থেকে শুরু করে ৫০ টাকা।যা আগে ছিল ৪৪ টাকা থেকে ৪৬ তাক এবং তার দুই সপ্তাহ আগে ছিল ৪৩ টাকা থেকে ৪৫ টাকার মধ্য।

টিসিবির তথ্য অনুসারে গত এক সপ্তাহে চিকন চালের বাজার বেড়েছে ৭ দশমিক ৭৬ শতাংশ এবং মাঝারি এবং মোটা চালের বাজার বেড়েছে ৩ দশমিক ২৩ শতাংশ।

শুধু কি চালের দাম বেড়েছে?না বাজারে প্রায় অন্যান্য জিনিসপত্রেরও দাম বেড়েছে।গত সপ্তাহের চাইতে এই সপ্তাহে শুধু পেয়াজের দাম বেড়েছে কেজি প্রতি ৫ টাকা।দেশি নতুন পিঁয়াজ ঢাকার বাজার গুলোতে বিক্র হচ্ছে ৫০ টাকা থেকে ৫৫ টাকা এবং পুরতন পিঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা থেকে ৬৫ টাকার মধ্য।আর যেসব পিঁয়াজ আমদানি করা হয়েছে সেইসব পিঁয়াজ বিক্র করা হচ্ছে ৩০ টাকা থেকে ৪০ টাকা প্রতি কেজি।এদিকে নতুন দামের ভোজ্য তেল বাজারে ছেরেছে কোম্পানি গুলো।আগের সপ্তাহের চাইতে এই সপ্তাহে লিটার প্রতি ৫ টাকা বেড়েছে তেলের দাম।বোতলের সয়াবিন তেল বিক্রি করা হচ্ছে ১১৫ টাকা থেকে শুরু করে ১২৫ টাকা দরে।আর খোলা সয়াবিন তেল প্রতি লিটার বিক্রি করা হচ্ছে ১০৫ টাকা দরে।অপরদিকে পামওয়েল বিক্রি করা হচ্ছে ৯৫ টাকা থেকে শুরু করে ৯৮ টাকা পর্যন্ত।

Add a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *